• রবিবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৫ ফাল্গুন ১৪২৫  |   ১৯ °সে
  • বেটা ভার্সন

সুরকার আলাউদ্দিন আলীর চিকিৎসায় ২৫ লাখ টাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

  অধিকার ডেস্ক    ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:৩৩

আলাউদ্দিন আলীর স্ত্রী ফারজানা মিমি
আলাউদ্দিন আলীর স্ত্রী ফারজানা মিমির হাতে ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। (ছবি : সংগৃহীত)

বেশ কয়েক বছর ধরে রক্তচাপ ও ফুসফুসের সংক্রমণসহ একাধিক রোগে ভুগছেন আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী সঙ্গীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলী। কিংবদন্তি এই সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দিন আলীর চিকিৎসার জন্য ২৫ লাখ টাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ রবিবার দুপুরে আলাউদ্দিন আলীর স্ত্রী ফারজানা মিমিকে গণভবনে ডেকে এনে তার হাতে ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গত ২২ জানুয়ারি রাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সে সময় তাকে মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে বলে জানান তার স্ত্রী ফারজানা মিমি।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞাতা জানিয়ে ফারজানা মিমি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আলাউদ্দিন আলীর চিকিৎসায় ২৫ লাখ টাকা সঞ্চয়পত্র হিসেবে দিয়েছেন।’

এ সঞ্চয়পত্র থেকে প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা আলাউদ্দিন আলীর চিকিৎসায় ব্যয় হবে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ১৯৬৮ সালে আলাউদ্দিন আলী যন্ত্রশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্র জগতে আসেন এবং আলতাফ মাহমুদের সহযোগী হিসেবে যোগ দেন। প্রয়াত আমজাদ হোসেনের 'গোলাপী এখন ট্রেনে' ছবির গানের জন্য আলাউদ্দীন আলী ১৯৭৯ সালে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

তার সুর করা কালজয়ী সেসব গানের মধ্যে উল্লেখযোগ্যগুলো হলো- প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ, একবার যদি কেউ ভালোবাসতো, আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার, যে ছিল দৃষ্টির সীমানায়, ভালোবাসা যত বড়ো জীবন তত বড় নয়, দুঃখ ভালোবেসে প্রেমের খেলা খেলতে হয়, হয় যদি বদনাম হোক আরো ইত্যাদি ।

দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে আলাউদ্দীন খান বাংলাদেশের সঙ্গীত ভুবনে উপহার দিয়েছেন অনেক কালজয়ী গান, যা আবহমানকাল ধরেই চলছে মানুষের মুখে মুখে। 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

১৪৭/ডি, গ্রীন রোড, ঢাকা-১২১৫।

ফোন: ০২-৯১১০৫৮৪

ই-মেইল: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০১৯

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

Developed by : অধিকার মিডিয়া লিমিটেড